ভ্যান অ্যালেন বেল্ট।
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
ভ্যান অ্যালেন বেল্ট।। পবিত্র কুরআনের সাক্ষ্য
পৃথিবী তার চারপাশে যে জায়গা জুড়ে তার magnetic field এর মাধ্যমে সূর্যের charged particle গুলোকে ধরে রাখে সেই জায়গাকে ভ্যান অ্যালেন বেল্ট বলে। ১৯৫৮ সালে আবিষ্কারক Van Allen এর নাম অনুসারে এই বেল্টের নাম রাখা হয়েছে।
সূর্য মূলত এক প্রকান্ড পারমানবিক চুল্লি । সূর্য তাঁর শক্তির যোগান পায় পারমাণবিক ফিউশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।
এই পদ্ধতিতে এটি এর কেন্দ্রে হাইড্রোজেনকে হিলিয়ামে রুপান্তরিত করছে। বর্তমানে সূর্যের
প্রায় ৭০% ই হাইড্রোজেন ও ২৮% হিলিয়াম রুপে আছে। বাকি ২% অন্যান্য মৌল। এই অনুপাত সময়ের
সাথে ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হচ্ছে! কারণ হাইড্রোজেন রুপান্তরিত হচ্ছে হিলিয়ামে। এর
ফলে সূর্য থেকে প্রতিনিয়ত প্রচুর শক্তিশালী চার্জ নির্গত হচ্ছে । শক্তিশালী চার্জিত কণাসমূহ পৃথিবীর জন্য খুবই ক্ষতিকর আর এর
প্রভাব থেকে পৃথিবীকে রক্ষার জন্য মহান আল্লাহ্ সৃষ্টি করে রেখেছেন ভ্যান অ্যালেন
বেল্ট । ভ্যান অ্যালেন বেল্ট একটি
চৌম্বকীয় ক্ষেত্র যা পৃথিবীর চারপাশে অবস্থান করা আছে । সূর্য
থেকে
আসা শক্তিশালী চার্জ কণাসমূহ
কিংবা মহাজাগতিক ক্ষতিকর রশ্মি সবই ভ্যান অ্যালেন বেল্ট ধরে রাখে ফলে । তাই ভ্যান অ্যালেন বেল্ট হল শক্তিশালী চার্জিত
কণাসমূহের এলাকা ।
বেল্টগুলি যেসব কণা দ্বরা তৈরি তার অধিকাংশই সৌর বায়ু থেকে আসে। আর বাকি কণাসমূহ
আসে মহাজাগতিক রশ্মি থেকে। সৌর বায়ুকে আটকানোর মাধ্যমে চৌম্বক ক্ষেত্র সেসকল শক্তিশালী কণাসমূহকে বিচ্যুত করে পৃথিবীর আবহাওয়ামণ্ডলকে
ধ্বংস হওয়া থেকে রক্ষা করে।
পৃথিবীর দুইটি প্রধান বেল্ট পৃথিবীর পৃষ্ঠ অপেক্ষা ৬৪০ থেকে ৫৮,০০০ কি.মি. উপরে
অবস্থিত । এই জায়গাটাতে প্রায় 10 MeV শক্তির ইলেকট্রন আটকে থাকে। কৃত্রিম উপগ্রহ যখন মহাশূন্যে পাঠানো
হয় তখন ভ্যান অ্যালেন বেল্টকে এড়িয়ে চলে তা না হলে স্যাটেলাইটের বড় ধরনের ক্ষতি
হতে পারে ।
ভিডিও : ভ্যান অ্যালেন বেল্ট এর আকার ও তীব্রতার পরিবর্তন
| ভ্যান অ্যালেন বেল্ট (ভিডিওতে বর্ণিত) এর উপস্থিতির কারনে এটি ছেদ করে ক্ষতিকর রশ্মি পৃথিবীতে প্র্রবেশ করতে পারে না তাই পৃথিবী নামক গ্রহতে এখনও জীবের উপস্থিত আছে । |
![]() | |
|
মহান আল্লাহ্ বলেন -
অনুবাদ : আর (নীচের) আসমানকে এক সুরক্ষিত ছাদ বানিয়েছি । কিন্তু এরা এসব নিদর্শনের প্রতি ভ্রক্ষেপমাত্র করে না । (সূরা আম্বিয়া ২১:৩২)
পবিত্র কুরআনে মহাকাশ হিসাব শুরু
হয় ভূমি থেকে উপরের অসীম শূন্যস্থান পর্যন্ত । যেমন আকাশ থেকে বৃষ্টি পড়া (১৬:১০) ।
ভূমি থেকে অসীম শূন্যস্থান পর্যন্ত আসমান আছে ৭ স্তর (সূরা ৬৭:০৩) । আর আমরা থাকি নীচু আসমানে । আরো একটু
ভালভাবে জানতে দেখুন
।
তহালে দেখতে পেলাম আসমানকে মহান
আল্লাহ্ সুরক্ষিত ছাদের মত সৃষ্টি করে রেখেছেন । যাতে মহাজগত থেকে কোন ক্ষতিকর বস্তু
আসলে তা নিমিষেই ঠেকিয়ে দেওয়া যায় ।
অতি সংক্ষিপ্ত :
মোহাম্মদ মুদ্দাচ্ছির
ইসলাম
পাটওয়ারী
B.Sc in Environmental Science ( NSTU )
M.Sc in WRD (BUET) [Appeared]


Comments
Post a Comment